সূরা আন-নাস এর উচ্চারণ,অর্থ ও শানে নুযূল

0
2219

সূরা আন-নাস (আরবি: سورة الناس; মানবজাতি) পবিত্র কুরআনের ১১৪ নম্বর এবং সর্বশেষ সূরা; এর আয়াত, অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ৬ এবং রূকু, তথা অনুচ্ছেদ সংখ্যা ১। সূরা আন-নাস মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে; যদিও কোন কোন বর্ণনায় একে মক্কায় অবতীর্ণ হিসাবে উল্লেখ করা হয়। এর ছয় আয়াতে শয়তানের অনিষ্ট থেকে সুরক্ষার জন্য সংক্ষেপে আল্লাহর নিকট প্রার্থণা করা হয়। এই সূরাটি এবং এর পূর্ববর্তী সূরা আল-ফালাককে একত্রে মু’আওবিযাতাইন (আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার দু’টি সূরা) নামে উল্লেখ করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় বা ঘুমের আগে এই সূরাটি পড়া একটি ঐতিহ্যগত সুন্নত।

নামকরণ-
সূরা ফালাক ও সূরা আন-নাস আলাদা আলাদা সূরা হলেও এদের পারস্পরিক সম্পর্ক এত গভীর ও উভয়ের বিষয়বস্তু পরস্পরের সাথে এত বেশি নিকট সম্পর্কিত যে এদেরকে একত্রে “মু’আওবিযাতাইন” (আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার দু’টি সূরা) নামে ডাকা হয়; আর এই সূরা দু’টি নাযিলও হয়েছে একই সাথে একই ঘটনার পরি-প্রেক্ষিতে।

পশু দ্বারা কোরবানি করা জায়েজ আছে সেই সকল পশুর মধ্যে যদি শরীয়ত  নির্ধারিত কোন ধরনের ত্রুটি পাওয়া যায় তবে সে পশুগুলো দ্বারা কুরবানী করা বৈধ নয় । এখন আমরা দেখব কোন ত্রুটিগুলো কোরবানির পশুর মধ্যে বিদ্যমান থাকলে তা দ্বারা কোরবানি করা বৈধ নয় ।* যে পশুর কান কাটা । ইমাম আযম আবু হানীফা (রঃ) এর মতে কানের অর্ধেক বা ততোধিক কাটা হলে সে পশু দ্বারা কোরবানি দেয়া উচিত নয়

* খোঁড়া ।

* লেজ কাটা ।

* অত্যন্ত দূর্বল ।

* দাঁতহীন ।

* পাগল ।

** তবে নিখুঁত পশু ক্রয় করার পর যদি কোরবানি প্রতিবন্ধক কোন ত্রুটি দেখা দেয় আর ক্রেতা যদি নিসাবের অধিকারী না হন তাহলে তাকে ঐ পশুর বদলে অন্য পশু কোরবানি করতে হবে ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here