শহরে থাকলেই মিলবে ১০,০০০ ডলার!

Tulsa-City-Will-Pay-You-$10,000-usa-article-written-by-ashraful-mahbub

শহর… মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা । অনেক মানুষই মফস্বল থেকে শহরে পাড়ি জমান ভালভাবে জীবন-যাপন করার আশায়।

আর এর জন্য প্রয়োজন টাকা। কিন্তু সবার স্বপ্ন পূরণ হয় না, কারণ অনেকেই অর্থাভাবে পড়েন আর শহরে আসতেই পারেন না। কিন্তু যদি এমন হত, নতুন শহরে আসলেই পাওয়া যেত নগদ অর্থ আর বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট… তাহলে?

শুনতে বেশ অদ্ভুত শোনালেও ঠিক এই কাজটি করে খবরের শিরোনাম হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা প্রদেশের টিউলসা কাউন্টি শহর কর্তৃপক্ষ।

এই শহরটিতে বাস করার জন্য মার্কিন নাগরিকদের আকৃষ্ট করতে দেওয়া হচ্ছে নানা ধরনের অফার। এর মধ্যে রয়েছে এই শহরে থাকার বিষয়ে পাকাপাকিভাবে চুক্তি হবার পর নগদ ১০,০০০ ডলার পাবার সুযোগ ! আর এর পাশাপাশি রয়েছে বাড়ি ভাড়ার ক্ষেত্রে আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট।

Tulsa-City-Will-Pay-You-$10,000-usa-article-written-by-ashraful-mahbub-1
টিউলসা শহর, ওকলাহোমা,মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

তবে এই অফারটি পেতে চাইলে,আবেদনকারীকে কমপক্ষে ১৮ বছর বয়সী হতে হবে এবং নিয়োগদাতা কোম্পানি কর্তৃক রিমোটলি কাজ (ঘরে বসে কাজ)করার অনুমতি পেতে হবে। পাশাপাশি উদ্যোক্তারাও এ সুবিধা নিতে পারবেন । আর এই চুক্তির মেয়াদকাল হবে এক বছর।

চুক্তি অনুযায়ী, ১০,০০০ ডলার এর মধ্যে শহরে আসার পর পরই প্রাথমিকভাবে ২৫০০ ডলার দেয়া হবে,এরপর মাসিক ৫০০ ডলার করে দেয়া হবে  এবং এক বছর পর এই শহর ছেড়ে যাবার সময় বাকি ১৫০০ ডলার প্রদান করা হবে। মানে এই শহরে বাস করা উপভোগ্য হবে উঠবে আবেদনকারীর জন্য। এই পর্যন্ত প্রায় ৬০০০ আবেদন জমা পড়েছে।

জানা গেছে এই শহর কর্তৃপক্ষের এই রকম সিদ্ধান্তের কারণ হচ্ছে শহরের লোকসংখ্যা বাড়ানো আর যানজট কমিয়ে আনা। মানে লোকজন যদি  ঘরে বসে কাজ করতে পারে তাহলে তাদের বাইরে বের হতে হবে না… সুতরাং যানজট কমে আসবে।

আর বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঘরে বসে কাজ করাটা নতুন ট্রেন্ড এ পরিণত হয়েছে। কারণ এতে কাজের মানও যেমন ভাল হয় তেমনি যে কাজ করে সেও প্রশান্তিতে কর্ম সম্পাদন করতে পারে।

আর এই ট্রেন্ডের সঙ্গে তাল মিলিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনেক ছোট ছোট শহর গড়ে উঠেছে যেগুলো টিউলসা ‘র মত বিভিন্ন অফার ও আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট দিয়ে লোকজনকে ঐ শহরগুলোতে শহরে বসত গড়তে আহ্ববান করছে আর এতে সাড়াও মিলছে বেশ।

Please follow and like us:

Post Reads: 51 Times

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *