ভোটে হেরে পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে আওয়ামী লীগের আলোচিত কাউন্সিলর প্রার্থী আলেয়া সারোয়ার ডেইজীর এপ্রিলে নিউইর্য়কে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত

0
113
নির্বাচনে হেরে এবার দেশ ছাড়ছেন আওয়ামী লীগের ডেইজী

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের আলোচিত কাউন্সিলর প্রার্থী আলেয়া সারোয়ার ডেইজী হেরে গেছেন। এই ওয়ার্ডে ৬ হাজার ৩১ ভোট পেয়ে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন জাতীয় পার্টি (জাপা) সমর্থিত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম সেন্টু। আর ডেইজী পেয়েছেন ২ হাজার ৯১ ভোট।

আলেয়া সারোয়ার ডেইজী যুব মহিলা লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি। এর আগে তিনি সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। এই ওয়ার্ডে গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ইমতিয়াজ খানকে হারিয়ে জয়লাভ করেন সফিকুল ইসলাম সেন্টু। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে জাতীয় পার্টি (জাপা) সমর্থিত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম সেন্টুর কাছে হেরে যান ডেইজী (লাটিম প্রতীক)।

শনিবার ভোট চলাকালে দুপুরে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন মোহাম্মদপুরের বাইতুল ফালাহ কেন্দ্রে ডেইজীর ওপর হামলা চালানো হয়। প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে তিনি মারধর ও লাঞ্ছিত করার অভিযোগ তুলেন। ফেসবুকে ভিডিওতে ডেইজি বলেন, ভোটকেন্দ্র থেকে এজেন্টদের ফোনে জানতে পারি ভেতরে গণ্ডগোলের ব্যাপারে। তারপর আমি একাই ভোটকেন্দ্রের ভেতরে যাই। এত গণ্ডগোলের মাঝেও সেন্টুর লোকেরা ভেতরে ঢুকছিল। এর মধ্যেই তিন-চারটা ছেলে অশোভন আচরন করে যাচ্ছিল। এরপর সেন্টু এসে তার লোকজন নিয়ে আমার লোকজনকে পেটানো শুরু করল। সেন্টুর সর্মথকরা তার উপর চড়াও হলে হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত পান বলে জানান তিনি।

ডেইজী বলেন, নির্বাচনে হেরে গেলেও আমি জনগণের ভালোবাসা অর্জন করতে পেরেছি। আমি ভালোবেসেছি আমার নেত্রী শেখ হাসিনাকে, ভালোবেসেছি জনগণকে। বিজয়ী হয়ে জনগণের জন্যই কাজ করতে চেয়েছিলাম। ডেইজী আরও বলেন, ‘‌পরাজিত হয়ে আমি দুঃখ পাইনি। আমার দুঃখ আমি আওয়ামী লীগকে এই আসনটি দিতে পারিনি। আমি আমার নেত্রী শেখ হাসিনার হয়ে জনগণের জন্য কাজ করেছি, আগামীতেও করতে চেয়েছিলাম। আমার সেই ইচ্ছা ছিল, শক্তি ছিলো।’

এদিকে নির্বাচনে হেরে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডেইজী। তিনি বলেছেন, এখন থেকে পরিবারকে সময় দেবেন। আগামী এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইর্য়কে পরিবারের কাছে চলে যেতে পারেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here