মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ হাতের তৈরি সুস্বাদু খাবার দেশ সেরা ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানের বাসায় প্রেরণ

0
145
প্রধানমন্ত্রী নিজে রান্না করে খাবার পাঠালেন সাকিবের বাসায়

প্রশাসনিকভাবে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্রীড়ামোদী হিসেবে বরাবরই জনপ্রিয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের প্রতি তার স্নেহ মায়া মমতা অনেক বেশি। ব্যক্তিগতভাবে খোঁজখবর রাখেন ক্রিকেটার এবং তাদের পরিবারের পরিবারের সদস্য বৃন্দেরও। অবসর সময় পেলে ক্রিকেট খেলা উপভোগ করতে চলে যান স্টেডিয়ামে। সাকিব আল হাসান, মাশরাফি বিন মর্তুজা, তামিম ইকবাল, মাহমুদুল্লাহ, মুশফিকুর রহমান এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সাথে দীর্ঘদিনের সুসম্পর্ক। স্ত্রী-পরিজন নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে সময় কাটানোর সুযোগ পান গণভবনে।

আজ ২৬ জানুয়ারি রোজ রবিবার যার সবশেষ নজির দেখা গেল। নিজের শত ব্যস্ততা ফেলে বিগত ২৫ জানুয়ারি তারিখে নিজ বাসভবনে শিশিরের সাথে আলাপচারিতার মধ্যে তার পছন্দের খাবার সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সকালে নিজে রান্না করে সাকিব আল হাসানের বাসায় খাবার পাঠিয়ে দেন। এ সময় শিশিরের সঙ্গে তাদের মেয়েও ছিল। সাকিব ও শিশিরের মনের ইচ্ছেপূরণ করতেই নিজ হাতে সেই খাবারগুলো রান্না করে সাকিবের বাসায় পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

খাবারের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ হাতে রান্না করা পোলাও, রোস্ট, রসগোল্লা, গুড়ের সন্দেশ, ছানা ও শীতের পিঠা পাঠিয়েছেন সাকিব দম্পতির জন্য। দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন ভালোবাসা পেয়ে সাকিব ও শিশির দুজনই অভিভূত ।

সাকিব তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘আমি এ পৃথিবীতে সবচেয়ে সৌভাগ্যবান মানুষ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সৌজন্যে আমি ভাষাহীন, তাঁর হাতের সুস্বাদু খাবার খেলাম, যা তিনি সকালে নিজ হাতে রান্না করে আমার স্ত্রীর জন্য বাসায় পাঠিয়েছেন। গতকাল তাঁর বাসায় যাওয়ার পর সাকিবপত্নী উম্মে শিশির আল হাসান নিজের পছন্দের খাবারের কথা জানিয়েছিল। ধন্যবাদ দিয়ে শেষ করতে পারব না। এই স্মৃতি আমার হৃদয়ে সারা জীবন অমলিন থাকবে।

অপরদিকে, স্ট্যাটাস দিয়েছেন সাকিবপত্নী উম্মে শিশির আল হাসানও । শিশির তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘কীভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবো জানি না এর চেয়ে বেশি ধন্য হতে পারতাম না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যখন ব্যস্ততার মাঝেও সময় বের করে আমার জন্য রান্না করে খাবার পাঠান, এর চেয়ে তৃপ্তিকর উপায়ে খাওয়ার কথা চিন্তাও করা যায় না। কাল তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলে জানতে চেয়েছিলেন, আমার পছন্দের খাবার কী কী। তিনি বলেছিলেন, নিজ হাতে খাবার রান্না করে পাঠিয়ে দেবেন! আমি এখন সত্যি সত্যিই আনন্দে দিশেহারা। আমার জীবনে সেরা মধ্যাহ্নভোজ। এত ভালোবাসা ও আদরের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করতে পারব না।’

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here