ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণ ১৬ ফেব্রুয়ারি

এবার ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণ এর সময় নির্ধারণ করে দিল সরকার । ভবিষ্যৎ চূড়ান্তে কাজ করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইয়াবা ব্যবসায়ীর তালিকায় ১১৫১ জনের নাম রয়েছে

পুলিশ হেফাজতে থাকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান ১৬ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন প্রায় ২০০ জন ইয়াবা ব্যবসায়ী আত্মসমর্পণ করবেন বলে জানা গেছে। আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান হবে টেকনাফ পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ে অথবা টেকনাফ সরকারি ডিগ্রি কলেজ মাঠে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের থাকার কথা রয়েছে। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ১৬ ফেব্রুয়ারি দিনটি ঠিক রেখে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে ইচ্ছুক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণ পর্বটি সম্পন্ন করার প্রস্তুতি চলছে। আত্মসমর্পণের পর ইয়াবা ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা চূড়ান্ত করার কাজ করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পুলিশি হেফাজতে থাকা কয়েকজনের পরিবারের সদস্যরা বলছেন, তাঁরা শুনেছেন আত্মসমর্পণের পর তাঁদের কক্সবাজার জেলা কারাগারে আনা হবে। তবে এ ব্যাপারে তাঁরা স্পষ্ট কিছু জানতে পারেননি। পুলিশও কিছু জানায়নি।

এ বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, আত্মসমর্পণ করলেই ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সবকিছু মাফ হবে—তা না।

পুলিশ হেফাজতে থাকা উল্লেখযোগ্য ইয়াবা ব্যবসায়ীদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সাংসদ আবদুর রহমান বদির তিন ভাই আবদুল আমিন, মো. শফিক ও মো. ফয়সাল, চাচাতো ভাই মো. আলম, খালাতো ভাই মং মং সিং, ফুফাতো ভাই কামরুল ইসলাম, ভাগনে সাহেদুর রহমান নিপু, টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাফর আহমদের ছেলে দিদার মিয়া, ভাইপো মো. সিরাজ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সব কটি তালিকায় ‘পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে আবদুর রহমান ও ইয়াবা গডফাদার হিসেবে তাঁর পাঁচ ভাই, এক বোনসহ ২৬ জন নিকটাত্মীয়ের নাম রয়েছে

গত বছরের ৪ মে থেকে দেশজুড়ে মাদকবিরোধী অভিযান শুরু হয়। এরপর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শুধু কক্সবাজার জেলায় ৪৪ মাদক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে টেকনাফে মারা গেছেন ৪০ জন

Please follow and like us:

Post Reads: 54 Times

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *